মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার আকুবপুর মাঠে শুরু হয়েছে বিদেশী সবজি।

212

গাংনী প্রতিনিধি: মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার আকুবপুর মাঠে শুরু হয়েছে বিদেশী সবজি স্কোয়াশ(কোঁচা) মল্লিক সীড জাতের স্কোয়াশ চাষ করে লাভের মুখ দেখছেন কৃষক হাসানুজ্জামান। বিভিন্ন সবজি ফুলকপি বাঁধাকপি, লাউ, টমেটো, গাজর, মুলা,শিম,বেগুনসহ শীতকালীন বিভিন্ন সবজি চাষে ভালো ফলন ও দাম কম পাওয়ায়।

 

এবার তিনি বিদেশী সবজি স্কোয়াশ ১একর জমিতে চাষ করেছেন।১বিঘা জমিতে মাত্র ৫০০ গাছ লাগানো হয়েছে তিনি ১একর জমিতে ১ হাজার ৫শ’ গাছ লাগিয়েছেন এই চাষে মাত্র ১৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।ফল আশার ১৫ দিনের মধ্যে তিনি ২৫ হাজার টাকার স্কোয়াশ বিক্রয় করেছেন।

 

কৃষক হাসানুজ্জামান জানান,জমিতে লাগানোর ৪৫দিনের মধ্যে ফল আশা শুরু করেছে।স্কোয়াশ ফল ধরবে ৩ মাস । আমার ১৫ দিনের সবজি বিক্রয় করে ১০হাজার টাকা লাভ হয়েছে। বাকী দিনগুলিতে যা ফল ধরবে সেগুলি বিক্রয় হলে ১ লক্ষাধিক টাকা লাভ হবে বলে তিনি মনে করেন।এই সবজির বাজারে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।ব্যবসায়ীরা জমি থেকে ২০থেকে ২৫টাকা হারে নিয়ে যাচ্ছে।স্থানীয় অন্যান্য সবজি চাষীরা দেখতে আসছেন তার স্কোয়াশ চাষ।আগামী বছরে তারা অন্য সবজির পাশাপাশি এই চাষ করবেন বলে পরামর্শ নিতে যাচ্ছে কৃষক হাসানের কাছে।

 

গাংনী উপজেলা উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তা রাশেদ আহমেদ জানান,এই প্রথম মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার আকুবপুর মাঠে বিদেশী সবজি স্কোয়াশ চাষ হয়েছে শুনে আমি প্রতিদিন ১বার করে দেখতে যায় এবং বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছি ।বর্তমানে এই চাষে হাসানুজ্জামানের ১৫দিনের স্কোয়াশ বিক্রয় করে খরচ বাদ দিয়ে ১০ হাজা টাকা লাভ হয়েছে।আগামী বছর এই চাষ বাড়বে।
তিনি গাছের বেশ যত্ম নিচ্ছেন পাশপাশি অন্যান্য কৃষকরা ও হাসানুজ্জামানের জমিতে গিয়ে দেখছেন।বাজারে এই সবজির বেশ চাহিদা রয়েছে।সবজির ভালো দাম পাওয়ায় কৃষক হাসান খুশি।তার আশা গতবারের কপি চাষ করে অনেক লোকসান হয়েছিল ।গতবছরের ক্ষতি এবার পুষিয়ে নিতে পারবেন তিনি।

 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কে.এম শাহাবুদ্দিন আহমেদ জানান,এই প্রথম গাংনী উপজেলায় বিদেশী স্কোয়াশ চাষ করেছে একজন কৃষক ।শুনে আমি সেখানে গিয়েছিলাম এবং স্কোয়াশ চাষে কৃষক হাসানকে সকল সহযোগীতা ও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।তবে অন্য সবজি চাষের চেয়ে স্কোয়াশ চাষে খরচ কম ও লাভ বেশি হচ্ছে।তাই আগামী বছরে এই চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে তিমি মনে করেন স্কোয়াশ জেলার বিভিন্ন মাঠে চাষ হবে।